Subscribe For Free Updates!

We'll not spam mate! We promise.

Tuesday, April 8, 2014

ভার্নালাইজেশন সিস্টেম



ভার্নালাইজেশন সিস্টেম

ভার্নালাইজেশন সিস্টেম কৃষি বিজ্ঞানে একটি অভিনব পদ্ধতি।এর সঠিক ব্যাবহারের ফলে বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে বিপ্লব আনা সম্ভব।


ভার্নালাইজেশন সিস্টেম তৈরির পদ্ধতিঃ- ভার্নালাইজেশন সিস্টেম পরিচালনার জন্য একটি অন্ধকার ঘর,32P মুক্ত/যুক্ত ফসফেট দ্রবণ প্রয়োজন।একটি অন্ধকার ঘরে নির্দিষ্ট স্থানে উদ্ভিদ গুলো সাজিয়ে রাখতে হবে।তেজস্ক্রিয় 32P মুক্ত/যুক্ত ফসফেটের তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত করতে হবে।১৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট ঘরে ৪৫-৫০টি গাছ রাখা যায়।

তেজস্ক্রিয় রশ্মির কারণে উদ্ভিদ দ্রুত বৃদ্ধির কারণঃ- তেজস্ক্রিয় রশ্মি যখন উদ্ভিদের উপর পড়ে তখন উদ্ভিদ বৃদ্ধি কারক হরমোন নিঃসরন বৃদ্ধি পায়।এর ফলে উদ্ভিদের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া দ্রুত ঘটে।এছাড়া শ্বসন ও সালোকসংশ্লেষনের হার বৃদ্ধি পায়।

উপকারিতাঃ- বাংলাদেষ কৃষি প্রধান দেশ।এই দেশের অর্থনীতি কৃষির উপর নির্ভরশীল।এই দেশে অনেক সময় গ্রীষ্মকালীন ফসল বর্ষার কিছু আগে লাগানো হয়।এর ফলে অনেক সময় অতি বর্ষনে ফসল নষ্ট হয়ে যায়।যদি আমরা ভার্নালাইজেশন সিস্টেম এর সঠিক ব্যাবহার করি তাহলে আমরা গ্রীষ্মকালের ফসল একবার নয় কয়েকবার ফসল উতপাদন করে বাজারজাত করা সম্ভব এবং ফসল নষ্ট হবার হাত থেকে বাচানো সম্ভব।

অপকারিতাঃ- প্রতেক বস্তুরই কিছু উপকারিতা ও কিছু অপকারিতা আছে।যদি কোন কারণে তেজস্ক্রিয় বৃদ্ধি পায় তাহলে ফসলের খাদ্য গুনাগুন নষ্ট হয়ে যাবে এবং ফসলে বিভিন্ন ক্ষতিকারক তেজস্ক্রিয়তা প্রবেশ করবে যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

উপসংহারঃ- বাংলাদেষের কৃষি সম্প্রাদয়কে যদি এই ভার্নালাইজেশন সিস্টেম সম্পর্কে প্রশিক্ষন দেওয়া এবং সরকারি উদ্দ্যোগে যদি এই সিস্টেম এর পরিকল্পনা তৈরি করে কৃষকদের হাতে দেওয়া হয় তাহলে বাংলাদেশ খুব দ্রুত কৃষিক্ষেত্রে অগ্রগতি লাভ করবে।


 প্রজেক্ট এর ছবি সমূহঃ বিস্তারিত আসছে......

সৌজন্যেঃ কেঃকেঃগভঃইন্সটিটিউশন,মুন্সীগঞ্জ

বায়ুদূষণমুক্ত নৌকা



বায়ুদূষণমুক্ত নৌকা

 

আমরা সবাই নৌকা শব্দটির সাথে পরিচিত।অনেকে নৌকা ভ্রমণ করেছি।নৌকা ইঞ্জিনে দ্বারা চালিত হয়।ওই ইঞ্জিনে চালিত নৌকা এক প্রকার কালো ধোঁয়া বায়ুমন্ডলে নির্গত করে যা আমাদের বায়ূমন্ডলকে দূষিত করে।কারণ,ওই ধোঁয়া হলো CO2 (কার্বন ডাই-অক্সাইড)।

ইঞ্জিনে পেট্রোল পোড়ার ফলে ওই CO2 গ্যাস উতপন্ন হয় যা আমাদের পরিবেশের ক্ষতি করে।CO2 পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে এবং অতিরিক্ত CO2 ; O2 এর পরিমাণ কমিয়ে দেয়।তছারাও ইঞ্জিনের অতিরিক্ত শব্দ,শব্দ দূষণের কারণ।তাই,এসব রোধ করার জন্য বিকল্প হিসেবে ব্যটারি চালিত নৌকা ব্যাবহার করা যেতে পারে।
ওই নৌকা আমাদের ও আমাদের পরিবেশের কোন প্রকার ক্ষতি করে না।কারণ,ব্যাটারি চালিত নৌকায় কোনো প্রকার ধোঁয়া বা অতিরিক্ত শব্দ হয় না।তাই ব্যাটারি চালিত নৌকা পরিবেশ বান্ধব।

ব্যাটারি চালিত নৌকা আমাদের অর্থনীতিতেও ভুমিকা রাখে।ওই নৌকা ব্যাবহারে ফলে পেট্রোল পোড়াতে হয় না।ফলে আমাদের খনিজ সম্পদের উপর চাপ কমে এবং তা আমরা অন্য কাজে ব্যাবহার করতে পারি অথবা প্রয়োজনে বিক্রি করে বিদেশি মুদ্রা অর্জন করতে পারি।ব্যাটা্রি চালিত নৌকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকার চেয়ে খরচ কম,কিন্তু লাভ অনেক বেশি।

তাই আমরা এই ব্যাটারি চালিত নৌকা ব্যাবহার করে পরিবেশ ও অর্থনীতি দুটোরই উন্নতি সাধন করতে পারি।

প্রজেক্ট এর ছবি সমুহঃ  বিস্তারিত আসছে......

সৌজন্যেঃ কেঃকেঃগভঃইন্সটিটিউশন,মুন্সীগঞ্জ।