ভার্নালাইজেশন সিস্টেম
ভার্নালাইজেশন
সিস্টেম কৃষি বিজ্ঞানে একটি অভিনব পদ্ধতি।এর সঠিক ব্যাবহারের ফলে বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে
বিপ্লব আনা সম্ভব।
ভার্নালাইজেশন
সিস্টেম তৈরির পদ্ধতিঃ- ভার্নালাইজেশন
সিস্টেম পরিচালনার জন্য একটি অন্ধকার ঘর,32P মুক্ত/যুক্ত ফসফেট দ্রবণ প্রয়োজন।একটি
অন্ধকার ঘরে নির্দিষ্ট স্থানে উদ্ভিদ গুলো সাজিয়ে রাখতে হবে।তেজস্ক্রিয় 32P মুক্ত/যুক্ত
ফসফেটের তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত করতে হবে।১৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট
প্রস্থ বিশিষ্ট ঘরে ৪৫-৫০টি গাছ রাখা যায়।
তেজস্ক্রিয়
রশ্মির কারণে উদ্ভিদ দ্রুত বৃদ্ধির কারণঃ- তেজস্ক্রিয় রশ্মি যখন উদ্ভিদের উপর পড়ে তখন
উদ্ভিদ বৃদ্ধি কারক হরমোন নিঃসরন বৃদ্ধি পায়।এর ফলে উদ্ভিদের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া
দ্রুত ঘটে।এছাড়া শ্বসন
ও সালোকসংশ্লেষনের হার বৃদ্ধি পায়।
উপকারিতাঃ- বাংলাদেষ কৃষি প্রধান দেশ।এই দেশের অর্থনীতি
কৃষির উপর নির্ভরশীল।এই দেশে অনেক সময় গ্রীষ্মকালীন ফসল বর্ষার কিছু আগে লাগানো হয়।এর
ফলে অনেক সময় অতি বর্ষনে ফসল নষ্ট হয়ে যায়।যদি আমরা ভার্নালাইজেশন সিস্টেম এর সঠিক
ব্যাবহার করি তাহলে আমরা গ্রীষ্মকালের ফসল একবার নয় কয়েকবার ফসল উতপাদন করে বাজারজাত
করা সম্ভব এবং ফসল নষ্ট হবার হাত থেকে বাচানো সম্ভব।
অপকারিতাঃ- প্রতেক বস্তুরই কিছু উপকারিতা ও কিছু অপকারিতা
আছে।যদি কোন কারণে তেজস্ক্রিয় বৃদ্ধি পায় তাহলে ফসলের খাদ্য গুনাগুন নষ্ট হয়ে যাবে
এবং ফসলে বিভিন্ন ক্ষতিকারক তেজস্ক্রিয়তা প্রবেশ করবে যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
উপসংহারঃ- বাংলাদেষের কৃষি সম্প্রাদয়কে যদি এই ভার্নালাইজেশন
সিস্টেম সম্পর্কে প্রশিক্ষন দেওয়া এবং সরকারি উদ্দ্যোগে যদি এই সিস্টেম এর পরিকল্পনা
তৈরি করে কৃষকদের হাতে দেওয়া হয় তাহলে বাংলাদেশ খুব দ্রুত কৃষিক্ষেত্রে অগ্রগতি
লাভ করবে।
প্রজেক্ট এর ছবি সমূহঃ বিস্তারিত আসছে......
সৌজন্যেঃ
কেঃকেঃগভঃইন্সটিটিউশন,মুন্সীগঞ্জ





0 comments:
Post a Comment